Start Reading

মহানবীর মিশন

Ratings:
212 pages2 hours

Summary

যে পৌত্তলিকতা ও শিরকের অভিশাপকে উচ্ছেদ করার জন্য মুসলিম জাতির আদিপিতা হযরত ইব্রাহিম (আঃ) জীবনবাজি করেছিলেন, আল্লাহর নির্দেশে তিনি ও তাঁর প্রিয়তম পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) যে পবিত্র কাবাঘরকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন একত্ববাদ ও তাওহীদের কেন্দ্র রূপে; একদিন সেই পবিত্র কাবাঘরকেই পৌত্তলিকতা ও শিরকের কেন্দ্রভূমিতে পরিণত করেছিল তাদেরই উত্তর প্রজন্ম - মক্কার কুরাইশরা। যে ইব্রাহিম (আঃ) মূর্তি ধ্বংসের অভিযোগে অগ্নিকুন্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন; একদিন তাঁরই বংশধরেরা খোদ কাবা শরীফের ভিতরেই শত শত মূর্তিকে স্থান দিয়ে ক্বাবা শরীফকে শিরকের কেন্দ্রে পরিণত করেছিল। যে কাবাঘর ছিল তাওহীদের কেন্দ্রভূমি, সে কাবাঘরেই এক আল্লাহর ইবাদত ও তাওহীদের কালেমা উচ্চারণকে দেখা হত কাবাঘরের অবমাননা হিসেবে। আল্লাহর ঘরে নামাজ আদায় করার অপরাধে (?) আবু জাহেল রাসুলুল্লাহর ঘারের উপর উটের নাড়ি-ভুড়ি চাপিয়ে দিয়েছিল। কাবাঘরের চত্বরে কালেমার ঘোষণা দেয়ার কারণে রাসূলের সাহাবীর উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল কুরাইশ সরদারদের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা। এমন অবিশ্বাস্য ও অকল্পনীয় পরিবর্তন কী করে সম্ভব হল? সম্ভব হল এ কারণেই যে, নবী ইব্রাহিম (আঃ) যে মিশন নিয়ে, যে মহান আদর্শ নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন, তাঁর সে জীবন মিশন, তাঁর রেখে যাওয়া মহান আদর্শ এক সময় তাঁর উম্মতদের মধ্য থেকে উঠে গিয়েছিল। স্বয়ং তাঁর বংশধরেরা পর্যন্ত তাঁর মিশন, তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শের পথ থেকে বিচ্যূত হয়ে গিয়েছিল।
অবশ্য এই বিচ্যূতি, এই অধঃপতন একদিনে হয়নি। একটু একটু করে শত শত ও হাজার বছরের বিকৃতি ও বিচ্যূতিই এক সময় অবিশ্বাস্যভাবে মক্কার লোকদেরকে তাদের আদর্শের সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল।

Read on the Scribd mobile app

Download the free Scribd mobile app to read anytime, anywhere.